সোমবার, ২০২৬ আগস্ট ১৭ | ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Crime24TV Logo
আর্কাইভ বাংলা কনভার্টার
Crime24TV Logo
Logo
Logo

ক্রাইম ২৪ প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং নগরজীবনের অজানা তথ্য পাঠকের সামনে তুলে ধরে।

সম্পাদক: তাওহিদ হোসেন মিঠু

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:

মসজিদ মার্কেট (২য় তলা),
ছোটরা, কুমিল্লা-৩৫০০।

02334400099, 02334404652
০১৭২৬০১২০০৭ 
০১৭১১৩৮৮১৫৫

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন
🔴 সর্বশেষ:
বিষের বোতল হাতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন বাবার বাড়ি যাওয়া হলো না লিজার, প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে ট্রাকচাপায় মৃত্যু রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪ পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ জান্নাত ও কবিতা, সব পদক বাতিল আয়োজন করে বাল্যবিয়ের পর নববধূর অস্বীকার, স্বামী ধর্ষণ মামলায় কারাগারে প্রেমের বিচ্ছেদ মেনে নিতে না পেরে প্রেমিকাসহ ৪ জনকে হত্যা সাপের কামড়ে মৃত নারীকে ‘জীবিত’ করতে কবরের পাশে ওঝার ঝাড়ফুঁক শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী ৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি
প্রতিবেদক - | শনিবার, ২০২৬ আগস্ট ১৫, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান
সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে ‘হাবু নামের মারাত্মক বিষধর পিট ভাইপার সাপের উপদ্রব কমাতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপদে পড়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ।

টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৬৭৩ জন মানুষ হাবু সাপের কামড়ের শিকার হন। সাপ থেকে রক্ষা পেতে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগে ওকিনাওয়ায় নেওয়া বেজির বংশধর থেকে ৩০টি বেজি আনা হয়েছিল আমামি ওশিমা দ্বীপে।

তবে সাপের উৎপাত বন্ধে গৃহীত এই পরিকল্পনাটি হিতে বিপরীত হয়। এর অন্যতম মূল কারণ ছিল- হাবু মূলত একটি নিশাচর প্রাণী এবং বেজি দিনের বেলা সক্রিয় থাকে। ফলে সাপের সাথে বেজির দেখা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।

জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, হাবু সাপ শিকারের বদলে দিনের বেলা সক্রিয় থাকা বিপন্ন আমামি খরগোশ সহ দ্বীপটির বিরল বন্যপ্রাণিদের শিকার করতে শুরু করে বেজিগুলো। প্রাকৃতিক শিকারি না থাকায় এবং পর্যাপ্ত খাবারের কারণে ২০০০ সালের দিকে ৩০টি বেজি থেকে তা প্রায় ১০ হাজারে পরিণত হয়।  

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় ব্যাপক নিধন অভিযান। ‘আমামি মঙ্গুজ বাস্টার্স দল গঠন করে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা এবং প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো দ্বীপে বেজি খোঁজার কাজ চালানো হয়।

দীর্ঘ অভিযানের পর ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো একটি বেজি ফাঁদে ধরা পড়ে। এরপর টানা কয়েক বছর ব্যাপক নজরদারি চালিয়ে অবশেষে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বীপটিকে পুরোপুরি বেজিমুক্ত ঘোষণা করে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এই বেজির হাত থেকে বিরল প্রাণী ও পরিবেশ বাঁচাতে জাপানের সময় লাগে দীর্ঘ ৪৫ বছর। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই নিধন অভিযানে জাপানের ব্যয় হয়েছে ৩.৫৭ বিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।